মজিবুর রহমান :
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাফল্য ধরে রেখেছে শহীদস্মৃতি বিদ্যাপীঠ ও রোয়াইলবাড়ি ফাজিল মাদ্রাসা। গত বছরও প্রতিষ্ঠান দুটি ভাল ফলাফল অর্জন করেছিল।
এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় শহীদস্মৃতি বিদ্যাপীঠের মোট ৫৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়, যার মধ্যে ২৮ জনই অর্জন করেছে জিপিএ-৫ সহ শতভাগ ও রোয়াইলবাড়ি ফাজিল মাদ্রাসা হতে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ৪৬ জন। যার মধ্যে ৩ জন জিপিএ-৫ সহ শতভাগ পাশের রেকর্ড অর্জন করেছে।
উপজেলা জুড়ে ফল বিপর্যয়ে মাঝে দুইটি
প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাস করেছে। অসাধারণ এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরা।
শুধু সংখ্যাই নয়, এই ফলাফলের পেছনে রয়েছে পরিশ্রম, নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়।
শহীদস্মৃতি বিদ্যাপীঠ শুধু একটি স্কুল নয়, এটি একটি সাহিত্যিক ঐতিহ্যের চিহ্নও বটে। কারণ এই প্রতিষ্ঠানটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের নিজ হাতে গড়া এক স্বপ্ন। যিনি বিশ্বাস করতেন “আলো ছড়াতে হলে প্রথমে নিজের চারপাশ আলোকিত করতে হয়।” তাঁর হাতে গড়া এই প্রতিষ্ঠান আজও সেই আলোর পরম্পরা বহন করে চলেছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন,
এই সাফল্য শুধু শহীদস্মৃতি বিদ্যাপীঠের নয়, এটা গোটা এলাকার, হুমায়ূন আহমেদের স্বপ্নের জয়। আমরা চেষ্টা করছি সেই স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।
উপজেলার সর্বপ্রথম আলিয়া মাদ্রাসা মধ্যে রোয়াইলবাড়ি ফাজিল মাদ্রাসাটি প্রথম প্রতিষ্ঠা হয়। প্রাচীন এই প্রতিষ্ঠানে অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমান জানান, তাদের মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় ৪৬ জন পরীক্ষায় নিয়েছিল এরমধ্যে ৩ জন জিপিএ-৫ সহ শতভাগ পাস করেছে। তারা এই ফলাফলে খুবই খুশি।
অভিভাবকেরা বলেন, শুধু ফল নয়, এখানে আমাদের সন্তানদের মূল্যবোধ শেখানো হয়, এটাই বড় সাফল্য। আগামীতেও এই সাফল্যে ধারাবাহিকতা চান তারা।